দাঁড়িয়ে আছি, এক উঁচু পাহাড়ের কিনারায়।
ধবল জ্যোৎস্নায়, এই আরণ্যকটি আরো সুশোভিত হয়ে উঠেছে।
মাঝে মাঝে দূর প্রান্ত হতে শেয়ালের ঢাক কানে ভেসে আসছে। আকাশের পানে তাকিয়ে দেখি,অনেকগুলো তারা এখনো নিভু নিভু অবস্থায় চাঁদকে পাহাড়া দিচ্ছে।
এমন সময় কোমল একটা কিছুর স্পর্শে সারা গায়ে শিহরণ দিয়ে উঠল। পাশে ফিরে দেখতেই হতভম্ব হয়ে গেলাম, সুতো পরিমাণ বস্ত্রহীন উল/ঙ্গ এক কিশোরীকে দেখে। যার বিশাল বক্ষ জুড়ে এলোমেলো চুলে ঢাকা। তাড়াহুড়ো করে একটু সরে দাঁড়ালাম। ওর দিকে দৃষ্টি না ফেরালেই ভালো হতো, উঞ্চ ছোঁয়াটা ভালোই ছিল। চোখাচোখি যেহেতু হয়েই গেছে, সলজ্জভাবে দূরে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হলাম।
অবচেতন মন হতে, চেতনায় ফিরে এসে, ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম,'তুমি কে? কি চাও এখানে?'
—' আমি সুষ্মিতা, তোমার কাছেই এসেছি, তোমার পাপ মোচনে সহায়তা করতে।'
—'আমার কাছে কেন? আমি তো কোন পাপ করি নি।'
— একটু হেসে, জবাব দিল,'আমি তোমার অন্তর্যামী। তুমি যা চোখে দেখ এবং অন্তরে অনুভব কর, তা সবই আমি পড়তে পারি। তোমার কোন কিছুই আমার কাছে অবিদিত নহে।
কাছে আসো, আমায় ভোগ কর, এতে তোমার কোন পাপ হবে না', বলতে বলতে, নির্লজ্জভাবে আমাকে আলিঙ্গন করল।
—আমি হতবিহ্বল হয়ে তাকিয়ে থাকলাম সুষ্মিতার দিকে!
0 Comments